রিমির সাথে প্রথম দিনের রুম ডেটিং !!!

চোখ বন্ধ করে বসে থাকি কিছুক্ষন। মিটি মিটি হাসি লেগেই ছিল মুখে। রিমি কিছুক্ষন নিরব হয়ে অপেক্ষা করল। তারপর বলল, ‘কি কর এমন চোখ বন্ধ করে? আমাকে চলে যেতে হবে তো, বেশী সময় নাই। চারটায় স্কুল ছুটি। সাড়ে চারটার মধ্যে বাসায় যেতেই হবে, নইলে পিটুনি।’
আমি তখন এসব শোনায় নেই। আজকে প্রায় স্বপ্ন সত্যি হবার পথে। কদিন আগে যা চিন্তা করতাম তা সব আসছে মনে এখন।তিন মাস আগে যখন পাড়ার রাস্তায় রিমিকে দেখি, চোখ ঝলছে গিয়েছিল।সবুজ, সাদা স্কুল ড্রেসের উচ্ছল কিশোরী। ওর দিকে চোখ পড়তেই প্রথমে ওর বুকের দিকে নজর পড়ত। আমার ধারনা ৩৬সি না হয়েই যায় না। এরপর থেকে ওর মনে জায়গা পাবার চেষ্টা শুরু। একমাসে তাতে সফল। আজকে প্রথম রুম ডেটিং। ফোনে কথা হত রোজ। আজকের ডেটিং নিয়ে অন্তত পাচরাত কথা বলেছি আমরা দুজনে।প্রায় ফোন সেক্সে চলে গিয়েছিল কথা। কিন্তু বাস্তবেই করিনি, ফোনে করতে কেমন জানি আনইজি লেগেছিল বলে করা হয় নি।
আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না রিমি আমার সামনে বন্ধ রুমের ভেতরে বসে আছে। বন্ধু শাহেদের মেসটা আজকে ভাগ্যক্রমে একেবারেই খালি। কেউ নেই পাশের রুমেও। আমার কাছে চাবি দিয়ে চলে গেছে শাহেদ আর তার তিন বন্ধু কক্সবাজার ঘুরতে। আজ আমার ঈদ :)
ওই, কি হল। তুমি কি ধ্যান কর?
রিমির কথায় ধ্যান ভাঙল আমার। তাকালাম ওর দিকে। আমার চোখে মুখে হাতে শয়তানী ভর করল। বললাম ‘ আজ আমার হাত থেকে তোমাকে কে বাচালে সুন্দরী? হাহাহাহ।
রিমি হেসে বলল, তুমি একটা আস্ত শয়তান।
-তুমি শয়তানী পছন্দ কর? বললাম আমি।
-লজ্জা লাগে বলতে।
কাছে গিয়ে রিমিকে হাগ করলাম। রিমি খুব শক্ত করে আমাকে জড়িয়ে ধরল। ও খুবই নার্ভাস। জীবনে এই প্রথমবারের মত কোন ছেলের কাছাকাছি এসেছে। আমি ওকে জড়িয়ে ধরেই রাখলাম। আমার মুখ নেমে গেল ওর কাধের কাছে। জিভ দিয়ে আলত করে বাম কাধের উপরে চাটতে লাগলাম। রিমির নিস্বাস ধন হয়ে আসতে লাগল। ওর হাত আমার চুলের ভেতরে চলে গেল। চুল টানতে লাগল। এবার আমি ওর কানের লতিতে কিস করলাম। তারপর পুরো কানটা মুখের ভেতরে নিয়ে নিলাম। মাথা মুচরাতে লাগল রিমি। জোর করে আমার মুখ টেনে এনে ঠোটে কিস করতে লাগল পাগলের মত। আমি রেসপন্স করলাম। মনে মনে অনেক খুশি। টেকনিক কাজে লেগেছে। জয়তু মাসুদ রানা দি বস :)
কিস পর্ব চলতে থাকল দুইতিন মিনিট কোন কথা ছাড়া। রিমির জিভ আমার মুখের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ছিড়ে আনার মত করলাম। মাঝে মাঝে ঠোট ছেড়ে কানে, গালে, গলায়, কাধে। রিমি পাগলপাড়া। তারপর হঠাত ডানহাত দিয়ে রিমির বাম দুধটা চেপে ধরলাম। প্রথমে আলতো করে, রিমি আরও এক্সাইটেড। এবার জোড়ে টিপতে লাগলাম ওর বাম বুক আমার ডানহাত দিয়ে। ওর সবুজ স্কুল ড্রেসের উপর দিয়েই।আমার দুহাত দিয়ে এবার চেপে ধরলাম ওর দু্‌ই দুধ। ঠোট কে মুক্তি দিলাম। এই প্রথম রিমির চোখের দিকে আমার নজর গেল। ওর চোখ আধোবোজা। ঘোর লাগা। আমাকে আর পায় কে। স্কুল ড্রেসের চিকল ওড়না টা খুলে দিলাম এক টানে। তার পর একটা হাত আমার ঢুকে গেল ওর জামার ভেতরে। ওর বাম দুধে। ব্রা লাগল হাতে। ব্রাটাকে টেনে দুধটাকে বের করে হাত দিয়ে টিপতে লাগলাম। এরপর জামা খুলার চেষ্টা করলাম। রিমি নিজেই জামা খুলে দিল।রিমি এখন শুধুই ব্রা পড়া। কি সুন্দর ওর ১৬ বছরের ধবধরে সাদা শরীর। ৩৬ এ দুধ।
আর সহ্য করতে পারি না। আমার মাথাও এলোমেলো হয়ে গেল। রিমিকে নিয়ে ঝাপিয়ে পড়লাম শাহেদের বিছানায়। ব্রাটা খুলে ফেলে দিলাম খাটের নিচে।কি সুন্দর বড় বড় দুধ বেড়িয়ে আসল। দুই হাতে মুচরাতে লাগলাম দুধটাকে। রিমি চোখ বন্ধু করে আ উহ করছে। আস্তে করে সুযোগ বুঝে মুখ নামিয়ে দিলাম ওর গলায়, তারপর বুকের দিকে। ওর বাম বুকে সার্কেল করে জিভ ছোয়াতে লাগলাম। সবশেষে নিপলে গিয়ে ঝড়ের মত চুষতে লাগলাম। রিমি গোঙ্গাতে লাগল।আমি আরও আগে বাড়লাম। আমার ডানহাত নামতে থাকল নিচে। ওর পাজামার ভেতরে হাত ঢুকানোর চেষ্টা করতেই্  ও চোখ খুলল। আমাকে বাধা দিল। ‘নাহ’
বাধা দিও না সোনা, রাগ করব কিন্তু।’ বলতেই হাত সড়িয়ে নিল। আমি আবার জোড়ে জোড়ে চুষতে লাগলাম ওর দুধ।রিমিকে আবার ঘোর লাগিয়ে তবেই যেতে হবে ওর ভ্যাজাইনাতে।না হলে ও আনইজি ফিল করতে পারে। একটু পরে আবার আমার হাতটা নেমে গেল নিচে। ভ্যাজাইনাতে। রিমি রীতিমত চিতকার দিয়ে উঠল।আমি একটা আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলাম ওর গুদের ফোটায়। ওর গোঙ্গানোর মাত্রা বেড়ে গেল। দুধ চোষা রেখে আমি ওর পাজামা খুলতে গেলাম। পাজামা আর পেন্টি একসাথে খুলে নিতেই  ধবধবে পাজোড়া বেড়িয়ে আসল। আমি ওর পায়ের পাতা পর্যন্ত আলতো করে কিস করলাম।
এ্‌ই মুহুর্তে রিমির গায়ে ওর গলার চেইনটা ছাড়া কিছুই নাই। আমার গায়ে সবকিছুই আছে। এটা আনফেয়ার। আমি আমার শার্ট নিজেই খুললাম। তারপর রিমি পাশে শুয়ে পড়ে ওকে আমার উপরে নিয়ে আসলাম। রিমি আমার উপরে উপর হয়ে শুয়ে পড়ল। আমরা আবার কিস করতে থাকলাম। পেন্টের ভিতর দিয়ে আমার বাড়া রিমির গুদে লাগছে।আমি বেশ আরাম পাচ্ছি। রিমির কাধ ধরে একটু নিচের দিকে টানলাম। রিমি বুঝতে পারল। ও আমার গলায় কিস করতে থাকল। এরপর আমার বুকে নামল। আমি আরও নিচে টানতে থাকলাম। রিমি রীতিমত নেশায় তখল। ও আমার পেটে কিস করতে করতে ঝটপট আমার জিনস খুলে নিল পুরোটা। বেড়িয়ে এল আমার ৬ ইন্চি বাড়াটা। একেবারে ভেজা লুব্রিকেন্ট রসে। রিমি যখন ওটা হাত দিয়ে ধরল আমার প্রায় মরে যাবার দশা উত্তেজনায়। আমি আশা করিনি যে রিমি আমার বাড়া ধরবে! রিমি বাড়াটা হাতে নিয়ে খিচতে লাগল। যেভাবে আমি মাষ্টারবেশন করি। বা যেখাবে পর্ন ভিডিওতে হ্যান্ডজব দেখি। আমার প্রায় পাগল হবার দশা। হঠাত কোন কথাবার্তা ছাড়া রিমি মুখ নামিয়ে দিল বাড়ায়। আমি গোঙ্গাতে লাগলাম। রিমির মাথাটা ধরে চেপে দিলাম বাড়ায়। দুই পা উঠিয়ে দিলাম ওর কাধে। রিমি বাড়া চুষতে থাকল। একুট পর ওকে উঠিয়ে নিয়ে আসলাম। তানা হলে আমার মাল বেড়িয়ে যাবে।রিমিকে আবার চিত করে শোয়ালাম।
জান, তুমি রেডি? ওকে বললাম।
ও উত্তর দিল না।
আমি ওর পা দুটো এবার ফাক করলাম। ওর ভোদা ভিজে চপচপে। আমার দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে খিচতে লাগলাম।ও শরীর মুচরাতে লাগল। এর ফাকে পাচ সেকেন্ডের বিরতী দিয়ে ওর বুকে আসলাম আবার চুষতে লাগলাম। এর মাঝে বহু কষ্টে জোগার করা প্যানথার টা ছিড়ে আমার বাড়ায় লাগিয়ে নিলাম। আবার রিমির গুদে আঙ্গুল দিয়ে খিচলাম এক মিনিট। এর পর আঙ্গুল বের করে এনে ওর পা দুটো ভাল করে ফাক করে এবার আমার বাড়া সেট করলাম। মুখ থেকে লালা এনে বাড়ার মুখে লাগালাম। কনডন লাগানোতে ওটা ড্রাই। গুদে বাড়া সেট করে রিমির দুধ ভাল করে কচলাতে থাকলাম। এরপর ছোট্ট একটা চাপ দিলাম গুদে। ফচ করে বাড়াটা ঢুকে গেল এক ইন্চি। আমি আর ঠেকাতে পারলাম না নিজেকে। মাসুদ রানা গিরি শেষ। জোড়ে এক ঠাপ দিলাম। ফচ করে প্রায় পৃরো বাড়া ঢুকে গেল রিমির গুদে। রিমি ওক করে উঠল । তার পর আহ! আহ! করে মৃদু চিতকার করতে লাগল। আমি বাড়া ঢুকানো অবস্থাতেই একবার রিমির সারা শরীরে চোখ দিলাম। তাকিয়ে দেখলাম রিমির গুদে আমার বাড়া। রিমির চোখ বন্ধু। আমি পুশ করতে লাগলাম। ফচ ফচ শব্দ হতে লাগল। প্রথমে আস্তে আস্তে পুশ করতে পারলাম। কিন্তু তিনচারটা পুশের পরেই আর সামলাতে পরলাম না। মাথা এলোমেলো হয়ে এল। কার্ল লুইস গতিতে পুশ করতে থাকলাম।রিমি আহ আহ উম  চিতকার করতে লাগল।  কয়েক পুশেই হঠাত আমার মাল বেড়িয়ে এল। আহা। কি শান্তি। কি শান্তি।
এই ঘটনার পরে আমরা প্রায় প্রতি সপ্তাহেই দেখা করতাম। প্রতি সপ্তাহেই সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্স করতাম। মাঝে মাঝে রুম পাওয়া না গেলে শপিং সেন্টারে চলে যেতাম। সেখানে টয়লেটে রিমি আমাকে হ্যান্ডজব করে মাল আউট করে দেয়। আমার কাছে ইন্টারকোর্সের চেয়েও  ওই হ্যান্ডজব ভাল লাগে।আমরা দুজনে খুব ফ্রি। সেক্সুয়াল আলাপেও অনেক ফ্রি। প্রতি রাতে আলাপ করি কিভাবে আমাদের সেক্স লাইফ আরও ইন্টারেষ্টিঙ করা যায়। ওর বয়স ১৬ আমি ১৯ এখনই তো সময় এনজয়ের। ভাবছি ওকে একদিন জিগ্গেস করব একটা কথা। আমাদের প্রথম সেক্সে ও কিন্তু ভার্জিন ছিল না। আমি সেটা বুঝতে পেরেছি। কেননা ভার্জিন হলে আমি ওত সহজে বাড়া ঢুকাতে পারতাম না। অনেক কষ্ট হত। আর ওর ব্লিডিং হত। আমার এক্স গার্লফেন্ডের কথা মনে পড়ে। ওর সাথে মাত্র তিনদিন ওইটা করতে পেয়েছিলাম। প্রথম দিনে জান বেড়িয়ে গিয়েছিল বাড়া ঢুকাতে।মনে হচ্ছিল হাতি টানছি। ঢুকানোর পড়ে দুইটা পুশ করেই দেখি রক্ত গুদের চারপাশে আর আমার পিনিসে। রিমি তার মানে আগেই সেক্স করেছে অন্য কারও সাথে। জিগ্গেস করতে হবে ওকে।
আরেকদিন বলব আমার এক্স গার্লফেন্ডের সাথে তিন দিন সেক্সের কাহিনী। বলব রিমির সাথে আর সবদিকের সেক্স। রিমির হ্যান্ডজবের, ব্লোজবের কথা।
Share on Google Plus

About Unknown

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.
    Blogger Comment

Full Page Script

Powered by Blogger.